# a b c d e f g h i j k l m n o p q r s t u v w x y z

যে ১০টি উপকারিতার জন্য আপনার খাদ্যতালিকায় কিশমিশ রাখবেন

 

কিশমিশ মিষ্টি জাতীয় খাবার বলে খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিচ্ছেন না তো? শুকনো আঙুর থেকে তৈরি হওয়া কিশমিশ শুধু সুস্বাদুই নয়, বরং একটি স্বাস্থ্যকর খাবার। কিশমিশ বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি উপাদানে ভরপুর এবং নানা রকম স্বাস্থ্য উপকারিতা প্রদান করে। এতে শর্করা, ফাইবার, ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। খাদ্যতালিকায় কিশমিশ কেন রাখতে হবে, সেই তথ্য কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না।

বিভিন্ন খাবার যেমন পায়েশ, পোলাও, ফিরনি ইত্যাদি খাবার সাজাতে কিশমিশ ব্যবহার করি কিন্তু এটি পরিমিত পরিমাণে খেলে শরীরের বিভিন্ন সমস্যা দূর হয় এবং অনেক উপকারিতা পাওয়া যায়। আজ আমরা জানবো কেন আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কিশমিশ রাখা উচিত এবং এর বিভিন্ন উপকারিতা কী।

কিশমিশের যত পুষ্টিগুণ

কিশমিশে রয়েছে নানা উপাদান, যা আমাদের শরীরের প্রয়োজনীয় শক্তি ও পুষ্টি সরবরাহ করে। এতে রয়েছে ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, ভিটামিন বি-৬, খনিজ উপাদান পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস। এসব উপাদান আমাদের শরীরের নানারকম শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া সঠিকভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করে। প্রতি ১০০ গ্রাম কিশমিশে শর্করা থাকে প্রায় ৭৯ গ্রাম, ফাইবার ৩.৭ গ্রাম এবং ফ্যাট মাত্র ০.৫ গ্রাম। এগুলো ছাড়াও কিশমিশে রয়েছে পলিফেনলস, ফ্ল্যাভোনয়েডস, ট্যানিন ও ক্যাটেচিনস নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।


খাদ্যতালিকায় কিশমিশ কেন রাখা উচিত

১। শক্তি প্রদান করেঃ

কিশমিশে থাকা শর্করা শরীরে দ্রুত শক্তি প্রদান করে। এটি আপনার শরীরের কোষকে সজীব রাখে এবং দীর্ঘ সময় ধরে সক্রিয় থাকতে সহায়তা করে। বিশেষ করে ব্যায়ামের পর ক্লান্তি দূর করতে কিশমিশ বেশ সহায়ক।

২। পুষ্টির ভাণ্ডারঃ

এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা আমাদের শরীরের প্রতিটি অঙ্গের সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। এটি শক্তি বাড়ায় এবং সারাদিন আমাদের প্রোডাক্টিভ রাখতে সহায়ক।

৩। হার্ট সুস্থ রাখেঃ

পটাসিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হার্টের সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে, হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সহায়তা করে। নিয়মিত কিশমিশ খেলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে।


৪। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করেঃ

কিশমিশে প্রচুর ফাইবার থাকে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে এবং হজম প্রক্রিয়া সহজ করে। এটি পেটের গ্যাস, অম্বল ও হজম সমস্যা কমায়।

৫। মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখেঃ

কিশমিশের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ওলেনোলিক অ্যাসিড মুখের ভেতরে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি রোধ করতে সাহায্য করে। এটি দাঁতের প্লাক জমা প্রতিরোধ করে, মাড়ির ইনফেকশন প্রতিরোধ করে এবং দাঁতের ক্ষয় রোধ করে। কিশমিশ খেলে মুখের বাজে গন্ধ দূর হয় এবং মুখের ভেতর সজীবতা বজায় থাকে।

৬। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখেঃ

এতে পটাসিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকে যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে কিশমিশ খাওয়ার মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। পটাসিয়াম রক্তনালীর সংকোচন কমাতে সাহায্য করে, ফলে রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকে।

৭। ওজন কমাতে সাহায্য করেঃ

কিশমিশে থাকা ফাইবার ও শর্করা ক্ষুধা কমায় এবং দীর্ঘ সময় পর্যন্ত পেট ভরা রাখে। এটি অতিরিক্ত খাওয়া এড়াতে সাহায্য করে, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক। তাই স্ন্যাকস হিসেবে কিশমিশ খেতে পারেন।


৮। ত্বক ও চুলের যত্নে কার্যকরীঃ

এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকে সহজে বার্ধক্যের ছাপ আসতে দেয় না। এটি ত্বককে উজ্জ্বল করে এবং চুলকে মজবুত রাখে।

৯। রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করেঃ

কিশমিশে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান শরীরের প্রদাহ কমায় এবং বিভিন্ন দীর্ঘস্থায়ী রোগ, যেমন ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এটি কোষের ক্ষতি রোধ করে এবং শরীরকে শিথিল ও সজীব রাখে।

১০। হাড় মজবুত করে ও রক্ত স্বল্পতা প্রতিরোধ করেঃ

এতে থাকা ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম হাড়ের শক্তি বৃদ্ধি করে। নিয়মিত কিশমিশ খেলে অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি কমে। এছাড়া, কিশমিশে থাকা আয়রন শরীরের হিমোগ্লোবিন উৎপাদন বাড়ায়, যা রক্তশূন্যতা দূর করতে সহায়ক।

এবার নিশ্চয় বুঝতে পারলেন কেন আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কিশমিশ রাখা উচিত। বিভিন্ন খাবারের সাথে যেমন, সকালের সিরিয়াল বা মিল্কশেক ইত্যাদিতে কিশমিশ যুক্ত করে খেতে পারেন। আবার খাওয়ার পর একটু মিষ্টিমুখ করার জন্যও খেতে পারেন ভেজানো কিশমিশ। সকালে খালি পেটে কয়েকটি ভেজানো কিশমিশ খেলে এর পুষ্টি উপাদান সহজে শরীরে শোষিত হয়।

তবে, অ্যালার্জিক রিঅ্যাকশন হলে অবশ্যই বাদ দিতে হবে। কিশমিশ খাওয়ার সময় পরিমাণের প্রতি মনোযোগ দিতে হবে, কারণ এতে শর্করার পরিমাণ বেশি। এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স মাঝারি মাত্রার হওয়ায় যারা ডায়াবেটিক রোগী তারা স্বল্প পরিমাণে খেতে পারেন। সুতরাং প্রতিদিনের খাবারে কিছু পরিমাণ কিশমিশ রাখুন এবং সুস্থ ও সক্রিয় জীবনযাপন করুন।

সাধারণ প্রশ্ন‑উত্তর (FAQ)

কিশমিশ কী?

কিশমিশ হল শুকনো আঙ্গুর, যা সহজে খাওয়া যায় এবং পুষ্টিগুণে ভরপুর।

কিশমিশের উপকারিতা কী কী?

এটি হাড় শক্ত রাখে, হজম ভালো রাখে, শক্তি দেয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

প্রতিদিন কত কিশমিশ খাওয়া উচিত?

সাধারণত ২০–৩০ গ্রাম (প্রায় ১০–১২ দানা) প্রতিদিন খাওয়া ভালো।

কিশমিশের সাথে কোন খাবার খেলে ভালো লাগে?

দুধ, দই, বাদাম, ওটস বা স্যালাডের সঙ্গে খেতে পারা যায়।

কিশমিশ কি ওজন বাড়ায়?

ক্যালোরি আছে, তাই অতিরিক্ত খেলে ওজন বাড়াতে পারে, তবে পরিমিত খেলে স্বাস্থ্যকর।

কিশমিশ হৃৎপিণ্ডের জন্য উপকারী কি?

হ্যাঁ, এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে যা হৃদযন্ত্রকে ভালো রাখে।

বাচ্চাদের জন্য কিশমিশ নিরাপদ কি?

হ্যাঁ, তবে ছোট বাচ্চাদের গিলে ফেলা ঝুঁকি এড়াতে কেটে খাওয়ানো ভালো।

কিশমিশ কীভাবে সংরক্ষণ করা উচিত?

ঠান্ডা, শুকনো জায়গায় বা এয়ারটাইট কন্টেইনারে সংরক্ষণ করুন।

কিশমিশ রক্তশূন্যতা দূর করতে সাহায্য করে কি?

হ্যাঁ, এতে লৌহ থাকে যা রক্তশূন্যতা কমাতে সাহায্য করে।

কোন সময় কিশমিশ খাওয়া ভালো?

সকাল বা সন্ধ্যায় খাওয়া ভালো, বা স্ন্যাকস হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।

কিশমিশ হজমে কিভাবে সাহায্য করে?

এতে ফাইবার আছে যা পাচনতন্ত্রকে শক্তিশালী করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।

গর্ভবতী নারীদের জন্য কিশমিশ কতটা উপকারী?

কিশমিশ লৌহ ও ভিটামিন সমৃদ্ধ, যা গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতা প্রতিরোধে সাহায্য করে।

কিশমিশ দই বা দুধের সঙ্গে খাওয়া কেন ভালো?

প্রোটিন এবং ক্যালসিয়াম সহায়ক হওয়ায় এটি হাড় ও দাঁত শক্ত রাখে।

কিশমিশ কি চুল ও ত্বকের জন্য ভালো?

হ্যাঁ, এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় চুল ও ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।

কিশমিশ কি diabetics খাবার হিসেবে নিরাপদ?

পরিমিত পরিমাণে হ্যাঁ, তবে রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

কিশমিশ কি শক্তি বৃদ্ধি করে?

হ্যাঁ, এতে প্রাকৃতিক শর্করা ও পুষ্টি থাকায় শরীরে দ্রুত শক্তি সরবরাহ করে।

কিশমিশ কি হৃদরোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে?

হ্যাঁ, এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় রক্তনালী ও হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখে।

কিশমিশ কোন ধরনের খাবারের সঙ্গে খাওয়া যায়?

দূধ, দই, ওটমিল, স্যালাড, মিষ্টি বা কেকের সঙ্গে খাওয়া যায়।

কিশমিশ কেটে খাওয়া উচিত কি?

ছোট বাচ্চা বা গিলে খাওয়ার ঝুঁকি এড়াতে কেটে খাওয়া ভালো।

কিশমিশ কি চোখের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো?

হ্যাঁ, এতে ভিটামিন এ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

কিশমিশ কি হাড়ের জন্য কার্যকর?

হ্যাঁ, ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস সমৃদ্ধ হওয়ায় হাড় শক্ত রাখতে সাহায্য করে।

কিশমিশের রঙের পার্থক্য কি উপকারিতায় প্রভাব ফেলে?

প্রকৃতপক্ষে, লাল বা কালো কিশমিশ পুষ্টিগুণে ভিন্নতা কম, সব ধরনের কিশমিশই উপকারী।

কিশমিশ কি দীর্ঘমেয়াদে খাবার স্বাস্থ্যকর?

হ্যাঁ, পরিমিতভাবে প্রতিদিন খেলে এটি স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো।

কিশমিশ কি অন্য শুকনো ফলের সঙ্গে তুলনীয়?

হ্যাঁ, এটি প্রাকৃতিক শর্করা ও ফাইবারে সমৃদ্ধ এবং অন্যান্য dried fruits-এর মতো স্বাস্থ্যকর।


ছবি- সাটারস্টক

২১শ শতাব্দীতে সূর্যগ্রহণ: গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও পরিসংখ্যান


বিজ্ঞান ডেস্ক | বিশেষ প্রতিবেদন

২১শ শতাব্দীতে পৃথিবীতে মোট ২২৪টি সূর্যগ্রহণ ঘটবে বলে জানিয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এসব গ্রহণের মধ্যে রয়েছে আংশিক, বলয়াকার, পূর্ণ ও হাইব্রিড সূর্যগ্রহণ। NASA-এর Goddard Space Flight Center-এর গবেষণা অনুযায়ী, এই সূর্যগ্রহণগুলো সময়, স্থায়িত্ব ও দৃশ্যমানতার দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


সূর্যগ্রহণের ধরন ও সংখ্যা

বিজ্ঞানীদের তথ্য অনুযায়ী, ২০০১ থেকে ২১০০ সাল পর্যন্ত সূর্যগ্রহণগুলোর ধরন ও সংখ্যা হলো:

  • আংশিক সূর্যগ্রহণ: ৭৭টি

  • বলয়াকার সূর্যগ্রহণ: ৭২টি

  • পূর্ণ সূর্যগ্রহণ: ৬৮টি

  • হাইব্রিড সূর্যগ্রহণ: ৭টি

হাইব্রিড সূর্যগ্রহণ খুবই বিরল। এটি পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে কখনো পূর্ণ আবার কখনো বলয়াকার সূর্যগ্রহণ হিসেবে দেখা যায়।


নন-সেন্ট্রাল সূর্যগ্রহণ কী?

এই শতাব্দীর সূর্যগ্রহণগুলোর মধ্যে ২টি বলয়াকার এবং ১টি পূর্ণ সূর্যগ্রহণ নন-সেন্ট্রাল হিসেবে চিহ্নিত। অর্থাৎ, চাঁদের ছায়ার একেবারে কেন্দ্র পৃথিবীর কেন্দ্র বরাবর পড়বে না। জ্যোতির্বিজ্ঞানে এই অবস্থান বোঝাতে Gamma মান ব্যবহার করা হয়।


এক বছরে সর্বোচ্চ সূর্যগ্রহণ

২১শ শতাব্দীতে কয়েকটি বছরে সর্বোচ্চ চারটি করে সূর্যগ্রহণ ঘটেছে বা ঘটবে। সেসব বছর হলো:

২০১১, ২০২৯, ২০৪৭, ২০৬৫, ২০৭৬ এবং ২০৯৪।

এই পূর্বাভাস দিয়েছেন NASA-এর স্বনামধন্য জ্যোতির্বিজ্ঞানী ফ্রেড এসপেনাক


বাংলাদেশ থেকে দৃশ্যমান ঐতিহাসিক সূর্যগ্রহণ

২০০৯ সালের ২২ জুলাই সংঘটিত পূর্ণ সূর্যগ্রহণটি ছিল ২১শ শতাব্দীর সবচেয়ে দীর্ঘ পূর্ণ সূর্যগ্রহণগুলোর একটি।

  • পূর্ণগ্রাসের সর্বোচ্চ সময় ছিল ৬ মিনিট ৩৮.৮৬ সেকেন্ড

  • তাত্ত্বিকভাবে সর্বোচ্চ সম্ভাব্য সময় ৭ মিনিট ৩২ সেকেন্ড

এই সূর্যগ্রহণটি বাংলাদেশ থেকেও দেখা গিয়েছিল, যা দেশের জ্যোতির্বিজ্ঞানপ্রেমীদের জন্য একটি স্মরণীয় ঘটনা।


দীর্ঘতম বলয়াকার সূর্যগ্রহণ

২১শ শতাব্দীর সবচেয়ে দীর্ঘ বলয়াকার সূর্যগ্রহণটি ঘটে ১৫ জানুয়ারি ২০১০

  • স্থায়িত্ব ছিল ১১ মিনিট ৭.৮ সেকেন্ড

  • বলয়াকার সূর্যগ্রহণের সর্বোচ্চ সম্ভাব্য সময় ১২ মিনিট ২৯ সেকেন্ড


বিরল হাইব্রিড সূর্যগ্রহণ

বিজ্ঞানীদের মতে, ২৫ নভেম্বর ২০৪৯২০ মে ২০৫০—এই দুটি তারিখে বিরল হাইব্রিড সূর্যগ্রহণ ঘটবে। এক বছরের কম সময়ের ব্যবধানে এমন ঘটনা খুবই বিরল।


সূর্যগ্রহণ সংক্রান্ত তথ্য টেবিলে যা থাকে

সংবাদ ও গবেষণাভিত্তিক প্রকাশনায় সূর্যগ্রহণের তথ্য সাধারণত একটি টেবিলে তুলে ধরা হয়। সেখানে উল্লেখ থাকে:

  • গ্রহণের তারিখ ও সময় (Dynamical / Ephemeris Time)

  • Saros সিরিজ নম্বর

  • গ্রহণের ধরন

  • Gamma মান

  • Magnitude (সূর্যের কত অংশ ঢাকা পড়েছে)

  • গ্রহণের স্থায়িত্ব ও পথের প্রস্থ

  • কোন কোন অঞ্চল থেকে গ্রহণ দৃশ্যমান হবে


উপসংহার

সূর্যগ্রহণ কেবল একটি প্রাকৃতিক দৃশ্য নয়, এটি জ্যোতির্বিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার বিষয়। ২১শ শতাব্দীর সূর্যগ্রহণগুলো বিজ্ঞানীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মাঝেও ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। ভবিষ্যতের এসব মহাজাগতিক ঘটনা পর্যবেক্ষণে প্রস্তুত থাকতে এখন থেকেই আগ্রহ বাড়ছে।

আজকের মুদ্রা বিনিময় হার (২৭ অক্টোবর)


 আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য দিনদিন সম্প্রসারিত হচ্ছে। ব্যবসায়িক লেনদেন ঠিক রাখার জন্য তাই মুদ্রা বিনিময়ের পরিমাণও বৃদ্ধি পাচ্ছে পাল্লা দিয়ে।

লেনদেনের সুবিধার্থে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার সঙ্গে বাংলাদেশি টাকার আজকের (২৭ অক্টোবর, ২০২৫) বিনিময় হার:

মুদ্রার নামবাংলাদেশি টাকা
ইউএস ডলার১২১ টাকা ৯৩ পয়সা
ইউরো১৪১ টাকা ৬৭ পয়সা
পাউন্ড১৬২ টাকা ৮১ পয়সা
ভারতীয় রুপি১ টাকা ৩৭ পয়সা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত২৮ টাকা ৮৭ পয়সা
সিঙ্গাপুরি ডলার৯৪ টাকা ৯৮ পয়সা
সৌদি রিয়াল৩২ টাকা ৫১ পয়সা
কুয়েতি দিনার৩৯৭ টাকা ২৩ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার৭৮ টাকা ৯৪ পয়সা

প্রসঙ্গত, বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসীরা নিয়মিত পাঠাচ্ছেন বৈদেশিক মুদ্রা। জিডিপি কিংবা পার ক্যাপিটা (মাথাপিছু আয়) হিসাবও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে করা হয় পশ্চিমা মুদ্রায়।

/এমএইচআর

গভীর নিম্নচাপ রূপ নিল ঘূর্ণিঝড়ে, ২ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত


 দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘণীভূত হয়ে  ঘূর্ণিঝড় ‘মোন্থা’-তে পরিণত হয়েছে। 

সোমবার (২৭ অক্টোবর) আবহাওয়ার পাঁচ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়  এ তথ্য।

এতে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড়টি বর্তমানে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে। এটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩০০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ১ হাজার ২৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘণীভূত হতে পারে। 

ঘূর্ণিঝড় ‘মোন্থা’ মঙ্গলবার সন্ধ্যা/রাত নাগাদ ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।


            সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ১১টায় বঙ্গোপসাগর ও আশপাশের এলাকা।


এদিকে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেই সাথে তাদেরকে গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।

/এমএইচআর